রাস্তার মাঝে বিদ্যুতের খুঁটি, আগুন নেভাতে যেতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গায় একটি বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বারান্দাসহ দোতালা টিনের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে হাজি আব্দুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে ওই বাড়িতে যাওয়ার পথে বাঘাডাঙ্গা রাস্তার মাঝখানে পল্লী বিদ্যুৎতের খুঁটি থাকার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আটকা পড়ে। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিঘ্ন ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, রাতে হঠাৎ করে আব্দুর রহমানের বসতবাড়িতে আগুনের লিলিহান শিখা দেখতে পান। খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এসে বাঘাডাঙ্গা হাওলাদার বাড়ি ও মীরবল বাড়ির সামনে রাস্তার মাঝখানে থাকা বিদ্যুৎ খুঁটির কারণে আটকা পড়ে। পরে বাধ্য হয়ে পানির মোটর, পাইপ, জেনারেটরসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ভ্যান গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে। প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

হাজি আব্দুর রহমানের ছেলে দেলোয়ার হোসেন জানান, ১টি দুতলা ঘরসহ আসবাবপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। তাদের বাড়ির ৪শ ফুট দূরে রাস্তার মাঝখানে পল্লী বিদ্যুৎতের খুঁটির কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে পারেনি। এতে করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিটি বিলম্ব হয়। এর আগে খুঁটিটি সরাতে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার বলা হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিক মোল্লা বলেন, রাস্তার মাঝখানে খুঁটির বিষয়ে একাধিকবার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বলা হলেও কোনো কাজ হয়নি। এতে রাস্তায় যাতায়াতসহ নানা কাজে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

ভাগ্যকুল বালাশুর পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনালের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘খুঁটি কোন জায়গায় বলেন, আমি লোক পাঠাচ্ছি।’

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সাব-অফিসার মো. শাহে আলম বলেন, রাস্তায় বিদ্যুৎ খুঁটির কারণে কাজে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত জানতে তদন্ত চলছে।

যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.