স্বামী হত্যার প্ররোচনাকারী পপি গ্রেফতার

শাহজালালের আত্মহত্যার প্ররোচনাকারীর প্রধান আসামি টিকটকার মামলার প্রধান আসামি পপি আক্তারকে (২৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৬টার সময় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এসআই সেকান্দর আলী।

আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ৪ জনকে আসামি করে মামলা হয়। এ মামলায় ওয়ারেন্ট হয় আসামিদের বিরুদ্ধে। প্রধান আসামি পপি আক্তার (২৭)। অন্য ৩ জন হলেন- পপির বোন আশা (২০), তাদের পিতা শাহ আলম (৫২) ও শাহ আলমের স্ত্রী মাহিনুর বেগম (৪৭)। সবার বাড়ি উপজেলার বড়রায়পাড়া এলাকায়।

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, ৯ বছর পূর্বে মাহফুজ মিয়ার ছেলে শাহজালালের সঙ্গে পপির বিয়ে হয় প্রায়। তাদের সংসারে সানজিদা (৭) সাইফা (৪) নামে দুইজন কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন ছেলেদের সঙ্গে মিশে পপি টিকটক ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করে। এসব বিষয় নিয়ে তার ছেলে শাহজালালের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। টিকটক করার সুবাদে বিভিন্ন ছেলেদের সঙ্গে পপির সম্পর্ক তৈরি হয়। এ বিষয়ে বাধা দিলে পপি ভয়ভীতি ও মেরে ফেলার হুমকি ধমকি দেয়।

২১ জুলাই শাহজালাল শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যায়। তার স্ত্রীর বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা শ্বশুরবাড়ির অন্য সবাইকে জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে গালমন্দ করে। তারা এটাও বলে- কেন শাহজালাল এখনো কেরি ট্যাবলেট খেয়ে মারা যায় না। পরে ২২ জুলাই বাড়িতে এসে বিষপান করে। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ বিষয়ে গজারিয়া থানায় শাহজালালের পিতা মাহফুজ মিয়া বাদী হয়ে ২৪ জুলাই একটি মামলা দায়ের করেন।

গজারিয়া থানার ওসি মোল্লা সোহেব আলী জানান, একজনকে গ্রেফতার করে কোর্টে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত আছে।

যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.