শ্রীনগরে ঝাড়ফুকের নামে প্রতারনার অভিযোগ

শ্রীনগরে ঝাড়ফুকের নামে আসন বসিয়ে প্রতারনা ও মাদক সেবনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পুর্ব মুন্সীয়া গ্রামের শহীদুল শেখ নামে এক ফকিরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠে। সে ওই গ্রামের মৃত সাত্তার শেখের ছেলে।

জানা যায়, বিভিন্ন রোগের জন্য তাবিজ-কবজ, পানি পড়া ও চুরি হওয়া জিনিসপত্র পাইয়ে দেয়ার নামে ফকির শহীদুল নিজ বাড়িতে গড়ে তুলেন আসন। তার এ ফাঁদে পরে অনেকেই প্রতারনার শিকার হচ্ছে। এলাকায় চিহ্নিত মাদক সেবী হিসেবে পরিচিত শহীদুল শেখ হঠাৎ করে নিজেকে ফকির হিসেবে দাবি করায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, হঠাৎ করে শহীদুল শেখ বিভিন্ন জটিল রোগের নামে ঝাড়ফুক ও তাবিজ-কবজ বাণিজ্য করছেন। ফকিরের এসব ঝাড়ফুক বিশ্বাস করে অনেক নারী-পুরুষ শহীদুলের কাছে আসছে। শহীদুল এক সময় মাজারে মাজারে ঘুরে বেড়াত ও মাদক সেবন করতো।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদির, মো. পারভেছ প্রতিবেশী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, কথিত ফকির শহীদুল শেখের এমন কর্মকান্ডে এলাকাবাসী বিব্রত। মাদক সেবী শহীদুল ইসলামের ঝাঁড়ফুকের ফাঁদে পরে নিরহ মানুষ টাকা পয়সা দিয়ে প্রতারিত হচ্ছে।

শহীদুল শেখের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩ বছর আগে সিলেটের হযরত শাহজালাল মাজার থেকে ফুলপরি তাকে নিয়ে যায়। সে থেকে তিনি ফকির পেশায় নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন। মানুষের উপকারের জন্য বাড়িতে আলাদা ঝুপড়ি ঘরে আসন পেতেছেন। উপকার পায় বলে মানুষ তার কাছে আসছে। এ সময় শহীদুল দাবী করে বলেন, পুর্ব মুন্সীয়া গ্রামের প্রবাসী শাহ আলমের একটি ছাগল চুরি হয়েছে। সে ছাগল পাইয়ে দেয়ার জন্য ফুলপরির মাধ্যমে তিনি তদবীর করছেন। তিনি দাবী করেন, খুব শীঘ্রই ছাগলটির সন্ধান পাওয়া যাবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনজাম মাসুদ লিটনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শহীদুলের ঝাড়ফুকের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। এখন জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

নিউজজি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.